মেনু নির্বাচন করুন
ওসমানীনগর থানা

১৯৯৯ ইং সনের ৩০ মে প্রথম তদন্তকেন্দ্র ঘোষণা করেন মাননীয় রেঞ্জ ডিআইজি জনাব, তোফাজ্জল হোসেন ,   পরবর্তীতে ২০০১ ইং সনের মে মাসের ২২ তারিখ থানা ঘোষনা করেন তৎকালীন মাননীয়  স্বরাষ্টমন্ত্রী জনাব মোহাম্মদ নাসিম ।

  • কী সেবা কীভাবে পাবেন
  • প্রদেয় সেবাসমুহের তালিকা
  • সিটিজেন চার্টার
  • সাধারণ তথ্য
  • সাংগঠনিক কাঠামো
  • কর্মকর্তাবৃন্দ
  • তথ্য প্রদানকারী কর্মকর্তা
  • কর্মচারীবৃন্দ
  • বিজ্ঞপ্তি
  • ডাউনলোড
  • আইন ও সার্কুলার
  • ফটোগ্যালারি
  • প্রকল্পসমূহ
  • যোগাযোগ

 

ক্রমিক

নং

সেবার নাম

দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা / কর্মচারী

সংক্ষেপে সেবা প্রদানের পদ্ধতি

সেবা প্রাপ্তির প্রয়োজনীয় সময় ও খরচ

সংশ্লিষ্ট আই-কানুন

/ বিধি-বিধান/ নীতিমালা

নির্দিষ্ট সেবা পেতে

ব্যর্থ হলে পরবর্তী প্রতিকারকারী কর্মকর্তা

০১

সাধারণ ডায়েরি গ্রহণ

অফিসার ইন চার্জ(OC)/ ডিউটি অফিসার (DO)

সাধারণ ডায়েরি করার জন্য ওসি বরাবর আবেদন করে থানার ডিউটি অফিসারের নিকট দাখিল করতে হয়। ডিউটি অফিসার আবেদনটি সাধারণ ডায়েরি রেজিস্টারে এন্ট্রি দিয়ে আবেদনকারীকে জিডি নং প্রদান করে থাকেন। ডিউটি অফিসার আবেদনটি ওসি’র নিকট উপস্থাপন করেন। ওসি তদন্তকারী কর্মকর্তা নিয়োগ করে তদেন্তর ব্যবস্থা করেন। তদন্তের রিপোর্টের প্রেক্ষিতে এখতিয়ারভুক্ত হলে ব্যবস্থা গ্রহণ করেন অন্যথায় উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ/ আদালতে রেফার করেন।

১ ঘণ্টা থেকে ৭দিন ; বিনামূল্যে 

১। সি আর পি সি/১৮৯৮ -১৫৪১৫৫ ধারা 

২। পিআরবি /১৯৪৩ -৩৭৭ বিধি

৩। পুলিশ আইন /১৮৬১৪৪ ধারা

সাকের্ল এএসপি

০২

পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট প্রদান

এসপি ডিএসবি/অফিসার ইন চার্জ(O.C)

সোনালী ব্যাংক/ বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুকূলে ৫০০/- টাকার ট্রেজারি চালানসহ এসপি বরাবর আবেদন দাখিল করতে হয়। দাখিলের পর সংশ্লিষ্ট ওসি / থানায় তদন্ত করার জন্য এসআই-কে নির্দেশ প্রদান করেন। রিপোর্ট প্রাপ্তির পর পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সনদ প্রদানের উপযুক্ত হলে প্রস্তুত করা হয় অন্যথায় বাতিল করা হয়। পরবর্তীতে প্রতিস্বাক্ষরের জন্য পুলিশ সুপার  নিকট প্রেরণ করা হয়। পুলিশ সুপার প্রতিস্বাক্ষর করে ওসি’র নিকট ওয়ানস্টপ সেন্টারে প্রেরণ করেন। থানা ওয়ানস্টপ সেন্টার থেকে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সনদ আবদেনকারী সংগ্রহ করেন।

৫-৭ দিন ;      ৫০০ টাকা

 

ডিএসবি নির্দেশিকা

 থানার ক্ষেত্রে সার্কেল এএসপি

এস পি অফিসের ক্ষেত্রে ডিআইজি 

০৩

বৈধ আগ্নেয়াস্ত্র জমা রাখা

অফিসার ইন চার্জ(OC)/ ডিউটি অফিসার (DO)

বৈধ আগ্নেয়াস্ত্রের মালিক ব্যাক্তিগত ভাবে অথবা সরকারি নির্দেশে অস্ত্রটি থানাতে জমা দিতে আসলে প্রথমে একটি আবেদন করতে হয়। ডিউটি অফিসার আস্ত্রের কাগজপত্র পর্যবেক্ষণ করে বিস্তারিত তথ্যাদি রেজিস্টারে লিপিবদ্ধ করে জিডি নং দিয়ে আবেদনকারীকে একটি কপি বুঝিয়ে দেন। অত:পর বৈধ অস্ত্রটি থানার মালখানায় নিরাপদ হেফাজতে রাখার ব্যবস্থা করেন। পরবর্তীতে নির্ধারিত সময়ে জিডির কপিটি দাখিল সাপেক্ষে আস্ত্রটি নিজের হেফাজতে নিতে পারেন।

৩০-৬০ মিনিট; বিনামূল্যে 

 

অস্ত্র আইনের-১৮৭৮ এর ১৬ ধারা 

সাকের্ল এএস পি

০৪

মিছিল, সভা, সমাবেশ, মাইক ব্যবহারের অনুমতি প্রদান

এসপি ডিএসবি/অফিসার ইন চার্জ (OC)

আবেদনকারীকে মিছিল, সভা, সমাবেশ, মাইক ব্যবহার ইত্যাদির অনুমতির জন্য পুলিশ সুপার (এসপি) বরাবর আবেদন করতে হয়। পুলিশ সুপার তদন্ত করার জন্য অফিসার ইনচার্জের (ওসি) নির্দেশ দেন। ওসি তদন্ত করে এসপি’র নিকট প্রেরণ করেন। প্রাপ্ত তদন্ত প্রতিবেদন এবং অন্যান্য রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়াদি বিবেচনা করে অনুমতি প্রদান করা হয় অথবা অনুমতি প্রদান সম্ভব নয় মর্মে জানিয়ে দেন।

৪-৭ দিন; বিনামূল্যে 

 

১। সিআরপিসি / ১৮৯৮-১২৭, ১২৮, ১২৯ ধারা

২। পুলিশ আইনের/১৮৬১ - ৩০, ৩১, ৩২ ধারা

ডিআইজি

ইভ টিজিং, মোবাইল ফোনে উত্যক্তকরণ, বা হুমকি প্রদান সংক্রান্ত অভিযোগ গ্রহণ

অফিসার ইন চার্জ(OC)

ইভ টিজিং, মোবাইল ফোনে উত্যক্তকরণ, বা হুমকি প্রদান ইত্যাদি ঘটনার প্রেক্ষিতে অফিসার ইন চার্জ বরাবর বিস্তারিত বর্ণনা দিয়ে আবেদন করতে হয়। ডিউটি অফিসার আবদনের প্রেক্ষিতে সাধারণ ডায়েরি করেন এবং ওসি’র নিকট বিষয়টি উথ্থাপন করেন। ওসি তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে যাওয়ার জন্য অফিসারকে নির্দেশ দেন। মোবাইল ফোনে উত্যক্ত করার বিষয়টি উদ্ঘাটনের জন্য প্রয়োজনে টেকনোলজি ব্যবহারসহ মোবাইল অপারেটরের সহায়তা গ্রহণ করা হয়। এভাবে অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা হয়।

১ ঘণ্টা থেকে ২/৩ দিন ; বিনামূল্যে 

 

১। সিআরপিসি -১৮৯৮/১০৭ ধারা

২। দন্ড বিধি/১৮৬০-৫০৬, ৩৮৭, ৩৮৬, ৩৮৫ ধারা

৩। পিআরবি-১৯৪৩/৩৭৭

সাকের্ল এএসপি

মানি এসকর্ট, পণ্য এসকর্ট প্রভৃতি ক্ষেত্রে পুলিশ নিয়োগ সংক্রান্ত

এসপি ডিএসবি/অফিসার ইন চার্জ(OC

মানি এসকর্ট, পণ্য এসকর্ট প্রভৃতি ক্ষেত্রে পুলিশ নিয়োগের জন্য পুলিশ সুপারের নিকট আবেদন করতে হয়। পুলিশ সুপার আবেদনের বিষয়টি যাচাই-এর জন্য ওসি-কে নির্দেশ দেন। ওসি’র প্রতিবেদন/ সুপারিশের প্রেক্ষিতে এসপি এতদসংক্রান্ত অনুমতি প্রদান করে ফোর্স/পুলিশ নিয়োগ দেন অথবা আবেদন না মঞ্জুর করেন।

২-৩ দিন ;বিনামূল্যে 

 

১। পুলিশ আইন/১৮৬১- ২৩ ধারা 

১। পিআরবি/১৯৪৩- ৩৭৭

সাকের্ল এ এস পি

টেন্ডার ড্রপ, পরীক্ষানুষ্ঠান প্রভৃতি ক্ষেত্রে (অতিরিক্ত) পুলিশ নিয়োগ

এসপি ডিএসবি/অফিসার ইন চার্জ (OC)

টেন্ডার ড্রপ, পরীক্ষানুষ্ঠান প্রভৃতি ক্ষেত্রে (অতিরিক্ত) পুলিশ নিয়োগের লক্ষ্যে পুলিশ সুপারের নিকট আবেদন করতে হয়। পুলিশ সুপার অফিসার ইন চার্জের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করে অথবা যাচাই করে প্রয়োজনীয় পুলিশ ফোর্স নিয়োগের ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।

২-৩ দিন; বিনামূল্যে 

 

১। পুলিশ আইন/১৯৬১ ৩১  ধারা

 

সাকের্ল এএসপি /ডিআইজি

 ০

হারানো মোবাইল ফোন, কম্পিউটার, মটর সাইকেল প্রভৃতি উদ্ধার সংক্রান্ত

অফিসার ইন চার্জ(OC)/ ডিউটি অফিসার (DO)

মোবাইল ফোন, কম্পিউটার, মটর সাইকেল প্রভৃতি হারানো গেলে ওসি বরাবর লিখিত আবেদন করতে হয়। আবেদন প্রাপ্তির পর ডিউটি অফিসার  জিডি হিসেবে এন্ট্রি দিয়ে আবেদনকারীকে জিডি নং দেন এবং আবেদনটি ওসির নিকট উপস্থাপন করেন। ওসি তাৎক্ষণিক কর্মকর্তা নিয়োগ করে তদন্ত/ মালামাল উদ্ধারের ব্যবস্থা করেন। মালামাল উদ্ধার হলে যথাযথ প্রক্রিয়ায় প্রকৃত প্রাপকের নিকট হস্তান্তর করা হয়।

২-৭ দিন ; বিনামূল্যে 

 

পিআরবি/১৯৪৩-৩৭৭ বিধি

 

সাকের্ল এ এস পি

০১। ওসমানীনগর থানা পুলিশ জনগণের সেবা প্রদানকারী একটি প্রতিষ্ঠান।

০২। জাতি ধর্ম, বর্ণ ও রাজনৈতিক/ সামাজিক/ অর্থনৈতিক শ্রেণী নির্বিশেষে দেশের প্রতিটি থানায় সকল নাগরিকের সমান আইনগত অধিকার লাভের সুযোগ রয়েছে।

০৩। থানায় আগত সাহায্যপ্রার্থীদের আগে আসা ব্যক্তিকে আগে সেবা প্রদান করা হবে।

০৪। থানায় সাহায্যপ্রার্থী সকল ব্যক্তিকে থানা পুলিশ সম্মান প্রদর্শন করবে এবং সম্মানসূচক সম্বোধন করবে।

০৫। থানায় জিডি করতে আসা ব্যক্তির আবেদনকৃত বিষয়ে ডিউটি অফিসার সর্বাত্মক সহযোগিত প্রদান করবে এবং আবেদনের ২য় কপিতে জিডি নম্বর, তারিখ এবং সংশ্লিষ্ট অফিসারের স্বাক্ষর ও সীলমোহরসহ তা আবেদনকারীকে প্রদান করতে হবে। বর্ণিত জিডি সংক্রান্ত বিষয়ে যথাশীঘ্র সম্ভব ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে এবং গ্রহীত ব্যবস্থা পুনরায় আবেদনকারীকে অবহিত করা হবে।

০৬। থানায় মামলা করতে আসা ব্যক্তির মৌখিক/লিখিত বক্তব্য অফিসার ইনচার্জ কর্তৃক এজাহারভুক্ত করবে এবং আগত ব্যক্তিকে মামলার নম্বর, তারিখ ও ধারা এবং তদন্তকারী অফিসারের নাম ও পদবী অবহিত করবে। তদন্ত কারী অফিসার এজাহারকারীর সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করে তাঁকে তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে অবহিত করবে এবং তদন্ত সমাপ্ত হলে তাঁকে ফলাফল লিখিতভাবে জানিয়ে দিবে।

০৭। থানায় মামলা করতে আসা কোন ব্যক্তির মামলা অফিসার ইনচার্জ/ থানার ডিউটি অফিসার এন্ট্রি করতে অপারগতা প্রকাশ করলে তখন উক্ত বিষয়টির উপর প্রতিকার চেয়ে নিম্নবর্ণিত নিয়মানুযায়ী আবেদন করবেনঃ-

(ক) সহকারী পুলিশ সুপার(সার্কেল) এর নিকট আবেদন করবেন।

(খ) তিনি যদি উক্ত বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ না করেন তা হলে উক্ত ব্যক্তি জেলা পুলিশ সুপারের নিকট আবেদন করবেন।

(গ) অতঃপর তিনিও যদি উক্ত ব্যক্তির বিষয়ে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ না করেন তা হলে উক্ত ব্যক্তি সংশ্লিষ্ট ডিআইজিহর নিকট আবেদন করবেন।

(ঘ) তাঁরা কেউ উক্ত বিষয়ে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে মহাপুলিশ পরিদর্শকের নিকট উক্ত বিষয়ে প্রতিকার চেয়ে আবেদন করবেন।

০৮। আহত ভিকটিমকে থানা হতে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করা হবে এবং এ বিষয়ে থানা সকল মেডিকেল সার্টিফিকেট সংগ্রহ করবে।

০৯। শিশু/কিশোর অপরাধী সংক্রান্ত বিষয়ে শিশু আইন, ১৯৭৪ এর বিধান অনুসরণ করা হবে এবং তাঁরা যাতে কোনভাবেই বয়স্ক অপরাধীর সংস্পর্শে না আসতে পারে তা নিশ্চিত করা হবে। এ জন্য দেশের সকল থানায় পর্যায়ক্রমে কিশোর হাজতখানার ব্যবস্থা করা হবে।

১০। মহিলা আসামী/ ভিকটিমকে যথাসম্ভব মহিলা পুলিশের মাধ্যমে সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করবেন।

১১। কিছু সংখ্যক থানায় ওয়ানস্টপ ডেলিভারী সার্ভিস চালু করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে উক্ত ওয়ানস্টপ ডেলিভারী সার্ভিস সেন্টার সকল থানায় প্রবর্তন করা হবে।

১২। আহত/মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ভিকটিমকে সার্বিক সহযোগিতার জন্য দেশের সকল থানায় পর্যায়ক্রমে ভিকটিম সাপোর্ট ইউনিট চালু করা হবে।

১৩। পাসপোর্ট/ভেরিফিকেশন/আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স ইত্যাদি বিষয়ে সকল অনুসন্ধান প্রাপ্তির ৩(তিন) দিনের মধ্যে তদন্ত সম্পন্ন করে থানা হতে সংশ্লিষ্ট ইউনিটে প্রতিবেদন প্রেরণ করা হবে।

১৪। থানা হতে বর্ণিত আইনগত সহযোগিতা না পাওয়া গেলে বা কোন পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ থাকলে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের বরাবর অভিযোগ দাখিল করা যাবে।

 

সেইক্ষেত্রে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ

(ক) লিখিত অভিযোগ প্রাপ্তির ১৫ (পনের) দিনের মধ্যে কার্যকর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন এবং তা অভিযোগকারীকে

অবহিত করবেন।

(খ) ব্যক্তিগতভাবে হাজির হওয়া ব্যক্তির বক্তব্য মনোযোগ সহকারে শুনবেন, প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন এবং তা

অভিযোগকারীকে জানাবেন।

(গ) টেলিফোনে প্রাপ্ত সংবাদের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

১৫। সকল থানায় পুলিশ সুপার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, এএসপি (হেডকোয়ার্টার্স), সংশ্লিষ্ট সার্কেল এএসপি এবং থানার অফিসার ইনচার্জের টেলিফোন নম্বর থানায় প্রকাশ্য স্থানে প্রদর্শিত হবে।

১৬। জেলায় কর্তব্যরত সকল পর্যায়ের অফিসারগণ প্রতি কার্যদিবসে নির্ধারিত সময়ে সকল সাহায্যপ্রার্থীকে সাহায্য প্রদান করবে।

১৭। থানার পুলিশ সদস্যগণ কম্যুনিটির সাথে নিবচ্ছিন্ন যোগাযোগ রক্ষা করবেন এবং কম্যুনিটি ওরিয়েন্টড পুলিশ সার্ভিস চালু করবেন।

১৮। উর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাগণ নিয়মিত কম্যুনিটির সহিত অপরাধ দমনমূলক/জনসংযোগমূলক সভা করবেন এবং সামাজিক সমস্যাসমুহের আইনগত সমাধানের প্রয়াস চালাবেন।

১৯। বিদেশে চাকুরী/উচ্চ শিক্ষার জন্য গমনেচ্ছু প্রার্থীদের পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট প্রদান করবে।

২০। ব্যাংক হতে কোন প্রতিষ্ঠান অধিক পরিমাণ টাকা উত্তোলন করলে উক্ত টাকা নিরপদে নেওয়ার জন্য চাহিদা অনুযায়ী পুলিশ এস্কর্টের ব্যবস্থা করা হবে।

২১। জেলা শহরে যানবাহন নিয়ন্ত্রণে ট্রাফিক বিভাগ, ট্রাফিক সংশ্লিষ্ট কি কি সেবা প্রদান করছে তা প্রকাশ্য স্থানে প্রদর্শিত হবে।

১৯৯৯ ইং সনের ৩০ মে প্রথম তদন্তকেন্দ্র ঘোষণা করেন মাননীয় রেঞ্জ ডিআইজি জনাব, তোফাজ্জল হোসেন ,   পরবর্তীতে ২০০১ ইং সনের মে মাসের ২২ তারিখ থানা ঘোষনা করেন তৎকালীন মাননীয়  স্বরাষ্টমন্ত্রী জনাব মোহাম্মদ নাসিম ।

ছবি নাম মোবাইল
মোঃ মুরসালিন ০১৭১৩-৩৭৪৩৮৭

ছবি নাম মোবাইল
মোঃ মুরসালিন ০১৭১৩-৩৭৪৩৮৭

ছবি নাম মোবাইল

কোন প্রকল্প নাই

সিলেট জেলার  ওসমানীনগর  উপজেলার আওতাধীন ওসমানী নগর থানা,জেলা  সিলেট ।

জরুরী প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন এ নাম্বারে  মোবা: ০১৭১৩৩৭৪৩৮৭

টেলিফোন নাম্বার:- ০৮২২২-৮৭২৮০



Share with :

Facebook Twitter